শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২, ০৩:১২ অপরাহ্ন

ওষুধিগুণ সম্পুর্ণ লটকন ফলের যত উপকারিতা ও চাষ পদ্ধতি

হিমেল খন্দকার, বিডি দিগন্ত / ১০৪ বার
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০২২
ওষুধিগুণ_সম্পুর্ণ_লটকন_ফলের_যত_উপকারিতা_ও_চাষ_পদ্ধতি

হিমেল খন্দকার, বিডি দিগন্ত || ওষুধিগুণ সম্পুর্ণ লটকন ফলের যত উপকারিতা ও চাষ পদ্ধতি।

নানান ফলের সমাহারে পুষ্টিকর লটকনের গুণের কথা অনেকেরই অজানা। এই ফলটিতে খাদ্যশক্তিসহ রয়েছে খনিজ উপাদান। 

লটকনের ওষুধিগুণ:

১. অম্লমধুর ফল লটকন।

২. খাদ্যমানের সমৃদ্ধও লটকন।

 ৩. লটকন ফল খেলে বমি বমি ভাব দূর হয় ও নিবারন হয়।

৪. লটকন গাছের শুকনো পাতা গুঁড়ো করে খেলে ডায়রিয়া ও মানসিক চাপ কমায়।

লটকন চাষের উপযুক্ত স্থান:

১. দেশের প্রায় সব ধরণের মাটিতেই লটকন চাষ করা যায়।

২. লটকন চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে বেশি উপযোগী।

৩. লটকন চাষের জন্য নির্বাচন উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি বা উন্মুক্ত জমিতে আংশিক চাষ করা যায়।

লটকনের চারা রোপণের সময়কাল

১. চারা রোপণের উপযুক্ত সময় বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাস।

২. তাছাড়া বর্ষার শেষে দিকে অর্থাৎ ভাদ্র-আশ্বিন মাসে চারা রোপন করা যায়।


চারা রোপণের দুরত্ব:

১. এক সারি থেকে আরেক সারির দূরত্ব ০:৬ মিটার।

২. চারা থেকে আরেক চারার দূরত্ব ০:৬ মিটার


চারার জন্য উপযুক্ত গর্ত তৈরি:

১. প্রতিটি গর্তের আকার হবে ১. ৯০ সেমি। ১০-১৫ ‍দিন পরে প্রতি গর্তের নিম্নরূপ হারে সার প্রয়োগ করতে হবে তারপর মাটির সঙ্গে ভালভাবে মিশিয়ে গর্ত ভরে দিতে হবে। প্রতিটি গর্তে ১৫-২০ কেজি জৈব সার, ৫০০ গ্রামের টিএসপি, ২৫০ গ্রাম এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে।

২. গর্ত ভরার সময় মাটি শুকনা হলে পানি ‍দিয়ে মাটি ভিজিয়ে ‍দিতে হবে।
ওষুধিগুণ_সম্পুর্ণ_লটকন_ফলের_যত_উপকারিতা_ও_চাষ_পদ্ধতি
আরও পড়ুন:

দুলালী সুন্দরী ধান চাষে আজির উদ্দিনের সাফল্য
পাবনায় চাষ হচ্ছে পেরিলা
স্বাদ ও মানের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত সবজি নরসিংদীর সবজি

লটকনের চারা রোপণ ও পরিচর্যা:

১. সাধারণত বীজ ‍দিয়ে লটকনের প্রজনন বিস্তার করা যায়।

২. জমিতে বর্গাকার বা আয়তাকার পদ্ধতিতে লটকনের চারা লাগানো যায়।

৩. গর্ত ভরাট করার ১০-১৫ দিন পর নির্বাচিত চারা গর্তের মাঝখানে সোজাসোজি লাগিয়ে মাটি চারপাশে চেপে দিতে হবে।

৪. চারা রোপনের পর পর পানি দিতে হবে।

৫. প্রতি চারার ১-২ দিন অন্তর পানি দিতে হবে।

৬. প্রয়োজন মতো খুঁটি বা বেড়ার ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

পূর্ণবয়স্ক গাছের সার প্রয়োগ এর নিম্নরূপ:

সারের নাম ও পরিমাণ : পূর্ণবয়স্ক গাছে ১০-২০  

কেজি গোবর বা জৈব, ১ কেজি ইউরিয়া, ০.৫ কেজি টিএসপি, ০.৫ কেজি অথবা, এক সাথে সার প্রয়োগ করলে তা নিম্নহারে প্রয়োগ করতে হবে।

সেচ দেওয়ার পদ্ধতি:

১. প্রথমত চারা রোপনের পর পর সেচ দিতে হবে।

২. ফল আসার পর পর দু’একটা সেচ দিতে পারলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

লটকল গাছের ডাল ছাঁটাই পদ্ধতি:

লটকল গাছের মরা ডাল বা রোগাক্রান্ত ও কীটাক্রান্ত ডাল গুলো কেটে দিতে হবে।

লটকলের ফল সংগ্রহ:

সাধারণত শীতের শেষে লটকন গাছে ফুল আসে। আষাঢ় ও শ্রাবণ মাসে ফল পাকে এবং এ ২ মাসে ফল সংগ্রহ করা হয়।

এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পূর্ন বেআইনী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। হিমেল/বিডি দিগন্ত


এ জাতীয় আরো সংবাদ

Warning: Undefined variable $themeswala in /home/khandakarit/bddiganta.com/wp-content/themes/newsdemoten/newsdemoten/single.php on line 229

Warning: Trying to access array offset on value of type null in /home/khandakarit/bddiganta.com/wp-content/themes/newsdemoten/newsdemoten/single.php on line 229